রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ
ভারত সরকার
  


  নিউ
ইন্ডিয়া এনার্জি পোর্টালের
ইন্ডিয়া ওয়াটার পোর্টাল
নিউ সংস্তুতি ও সুপারিশ

  ভাষা
  English
  हिन्दी
  മലയാളം
  অসমীয়া
  ಕನ್ನಡ
  ارد و
  தமிழ்
  नेपाली
  মণিপুরী
  ଓଡ଼ିଆ
  ગુજરાતી
বিষয় বিন্দু | ই-গভর্নেন্স

ই-গভর্নেন্স

ই গভর্নেন্সের মাধ্যমে যেসব ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিক রাষ্ট্রের শাসন-ব্যবস্থার সংস্পর্শে আসেন, তার অনেকগুলিকেই আরো সহজ ব্যবস্থার সৃষ্টি করা সম্ভব৷ তীব্রগতিতে জোগান দেওয়া, উত্পাদনের ও পরিষেবার দক্ষতার ক্ষেত্রে গতি আনা -- এসবই নাগরিককেন্দ্রিক করা এবং দেখা যে ঠিক ঠিক মানুষ যেন এথেকে সুফল লাভ করতে পারেন -- এসব এই পদ্ধতিতে সম্ভব৷

ই-গভর্নেন্সের কয়েকটি লাভ হলো:
  • জনসেবাগুলির মান ও ব্যাপ্তিকে উন্নততর করা এবং একই সঙ্গে জনসেবার খরচও সাশ্রয় করা
  • আর্থিক আদান-প্রদানের খরচ ও সময়ের সাশ্রয়
  • নাগরিকদের অধিকারের ক্ষেত্রে কৃষি এবং নিজের পারদর্শিতাও বাড়ানো
  • অধিকতর দক্ষতা ও উত্পাদনের জন্য প্রক্রিয়াগুলিতে আবশ্যক ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতিকে আবার করে খুঁটিয়ে দেখা ও গড়ে তোলা
কেন্দ্রীয় ও রাজ্যস্তরে বহু আলোচনা এবং নানান ই-গভর্নেন্সের প্রয়াসের পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ ই-গভর্নেন্সের অধ্যয়নের জন্য একটা কার্যদল গঠন করেছে৷ যোজনা আয়োগে এই কার্যদলের রিপোর্ট আলোচিত হওয়ার পর তা সঞ্চার ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী এবং তাঁর আধিকারিকদের দেওয়া হয়৷ তারপর এই নিয়ে নানান দায়বদ্ধ গোষ্ঠীর সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলে যার মধ্যে এডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস্ কমিশনও রয়েছে৷ তাঁদের বিচার বিমর্শের ভিত্তিতে আয়োগ ই-গভর্নেন্স বিষয়ক সংস্তুতিগুলি জানুয়ারী ২০০৬-এ প্রধানমন্ত্রীকে জানান এবং পরে ২০০৬ সালের মে মাসে তা সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশিত হয়৷

আয়োগের রিপোর্টে ই-গভর্নেন্সকে শুধুমাত্র ইলেকট্রনিক্স কিংবা তথ্য প্রযুক্তি বা পরিকাঠামোর সঙ্গে জড়িত বিষয় বলে নয়, শাসকীয় সংস্কার সাধনের একটা ভালো সুযোগ হিসেবে দেখানো হয়েছে৷ ই-গভর্নেন্স বিষয়ক সংস্তুতিগুলি সাধারণভাবে বিভিন্ন প্রক্রিয়া এবং মান ও পরিকাঠামো এবং সংগঠনের কথাই বলেছে৷ সংক্ষেপে বলতে গেলে এই বিন্দুগুলিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে:
  • সরকারী প্রক্রিয়াগুলিকে প্রথমে পুনর্গঠিত করতে হবে যাতে আমাদের মূল শাসন ব্যবস্থাকে সহজতর, অধিকতর পারদর্শী, বেশি দক্ষ ও উত্পাদক করে তোলা যায়;
  • দশ থেকে কুড়িটি এমন গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাকে বেছে নিতে হবে যেগুলিকে সরলীকৃত করলে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে ই-গভর্নেন্সের আওতায় আনলে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে একটা বিরাট পরিবর্তন আসবে;
  • একটা তুলনীয় মান তৈরি করা এবং একটা সমান পরিকাঠামো ও প্ল্যাটফর্ম তৈরী করা হবে ই-গভর্নেন্সের কাজ;
  • প্রতিটি রাষ্ট্রীয় যোজনাই (যেমন ভারত নির্মাণ, গ্রাম্য জীবিকা যোজনা গ্যারান্টী প্রভৃতি) সুপরিকল্পিতভাবে ই-গভর্নেন্সের প্রয়োগ ও ইন্টারনেট ইন্টারফেসের কথা মাথায় রেখে শুরু করতে হবে৷
রাষ্ট্রীয় স্তরে ই-গভর্নেন্সকে সফল হতে গেলে একটা উপযুক্ত কেন্দ্রীয় সংগঠন তৈরি করা দরকার যার সংরচনা এমন হবে যে তা সম্পূর্ণ স্বায়ত্ব নিয়ে ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে একটা মিশনের মতন আরম্ভ হতে পারবে৷ সরকারী প্রক্রিয়াগুলির পুনর্গঠনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কিছু সাংগঠনিক বিষয় যেমন একটা শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, স্বায়ত্ততা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে নমনীয়তা উদ্দেশ্য বিষয়ে স্পষ্ট ধ্যানধারণা, পূর্বপরিকল্পিত ও সংজ্ঞায়িত অর্পণ-প্রক্রিয়া, মাপার যোগ্য মাইলস্টোন এবং নির্দিষ্ট অবধি পরপর মূল্যায়ন যেগুলি মাঝে মাঝেই খতিয়ে দেখা দরকার -- তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে জাতীয় স্তরে ই-গভর্নেন্স পরিকল্পনাকে কার্যকর করতে৷


More e-Governance links: সংস্তুতিগুলি     সম্পদ